Google App Engine finally supports PHP, the language that runs 75% of the web

Two days ago, Google announced it would finally support the most popular computing language on the planet, PHP, in its platform-as-a-service offering, Google App Engine.

That means that yes, at some point you’ll be able to run your little WordPress-powered blog on the biggest server farms on the planet. But it also means that major companies will be able to use Google’s famously reliable services to run their enterprise-scale “big data,” backend, and, yes, consumer web projects, all in the PHP language that that is increasingly penetrating corporations.

Get started with App Engine for PHP: scalable, secure and reliable By Andrew Jessup, Product Manager

At Google I/O, we announced PHP as the latest supported runtime for Google App Engine in Limited Preview. PHP is one of the world’s most popular programming languages, used by developers to power everything from simple web forms to complex enterprise applications.

Now PHP developers can take advantage of the scale, reliability and security features of App Engine. In addition, PHP runs well with other parts of Google Cloud Platform. Let’s look at how this works.



The new Bitbucket dashboard – all your code activity, all in one place.

Read from here:


ক্লাউড কম্পিউটিং; ভবিষ্যতের প্রযুক্তি – সন্দীপন বসু মুন্না এর বাংলা ব্লগ । bangla blog | সামহোয়্যার ইন ব্লগ – বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ

ইন্টারনেট নির্ভর কম্পিউটিং প্রযুক্তির অপর নাম ক্লাউড কম্পিউটিং। এই প্রযুক্তি ইন্টারনেট এবং কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডাটা এবং এপ্লিকেশন নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারে। এছাড়া এর মাধ্যমে অনায়াসে যেকোন কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করে কোন প্রকার সফটওয়্যার কিংবা এপ্লিকেশনসমহ ইনস্টল ছাড়া নিজস্ব ফাইলগুলো ব্যাবহার করা যায়। এতে সফটওয়্যার, ফাইল এবং সেবা সমূহ একটি নির্দিষ্ট কম্পিউটারে সীমিত থাকে না। বরং এই তথ্যসমূহ থাকে উন্মুক্ত, ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো স্থান হতে যে কোনো কম্পিউটার হতে এতে প্রবেশ করা যায়। সহজ কথায় ক্লাউড কম্পিউটিং হলো এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি যার ব্যাবহারকারীর নিজের পিসিতে কোন অ্যাপ্লিকেশন থাকার প্রয়োজন নেই। 

একনজরে ক্লাউড প্রযুক্তির সুবিধাসমূহ

১. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে যেকোন কম্পিউটার, স্মার্টপ্যাড এবং স্মার্টফোন ব্যাবহার করে পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে যেকোন তথ্যের সুবিধা পাবেন।
২. এই প্রযুক্তিতে সফটওয়ার ইন্সটল করতে হবেনা।
৩. হার্ডওয়ার কিংবা সফটওয়্যার আপগ্রেড করার ঝামেলা নেই।
৪. কম্পিউটিং এর সর্বোচ্চ সুবিধাটুকু নিশ্চিত করা সম্ভব। 
৫. আনলিমিটেড ডাটা স্টোরেজের সুবিধা। ফলে তথ্য রাখা এবং সুরক্ষিত রাখার সুবিধা পাওয়া সম্ভব।


ক্লাউড কম্পিউটিং; ভবিষ্যতের প্রযুক্তি – সন্দীপন বসু মুন্না এর বাংলা ব্লগ । bangla blog | সামহোয়্যার ইন ব্লগ – বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ.